Sunday, March 07, 2010
ভোরের ঘ্রাণ
কয়েকটা কুকুর ডাকছে কাছে কোথাও। কুকুরের ডাকটা শুনেও কেন জানি মনে হচ্ছে ভোরের কথা। একটু পরেই হয়তো ঘুমাতে যাব। ভোরে হতো ঘুম ভাঙবে না আর। ভোরের জন্য তাহলে অপেক্ষা করতে হচ্ছে...
Saturday, February 20, 2010
কথা ব্লগ
| Powered by eSnips.com |
Saturday, January 16, 2010
ভালবাসা তারপর
ওই ভয়ানক একা চাঁদটার সাথে
স্বপ্নের আলোতে যাবো বলে
যখন চোখ ভিজে যায় রাতে।
ভালবাসা তারপর দিতে পারে
গত বর্ষার সুবাস
বহুদিন আগে তারাদের আলো
শূন্য আধাঁর আকাশ।
প্রখর রোদে পোড়া পিঠ
আগুনের কুণ্ডে সেকাঁ হাত
শিশির ছোয়াঁয় পাবে হাসি
অন্ধকারে কেটে যাবে রাত।
Monday, November 02, 2009
পরীক্ষা
পরীক্ষা
সামনে পরীক্ষা, কি যে করি,
তাই নিয়ে আমি চিন্তায় মরি।
বই খাতা খুলে দেখি মেলা পড়া বাকি,
ভাবি কেন দিয়েছিলাম এতো ফাঁকি!
অবস্থা দেখে আব্বু বোঝান আমায়,
চিন্তায় আমার সর্ব শরীর ঘামায়।
Saturday, October 31, 2009
আয়না
Wednesday, October 28, 2009
বিদায় জিওসিটিজ
জিওসিটিজ বন্ধ হয়ে গেছে এই ২৬ অক্টোবর। আর কারও কোনো অনুভূতি হয়েছে কিনা জানি না আমার কিছুটা কষ্টের অনুভূতি হয়েছে। অনেকদিন ধরেই শুনতে পাচ্ছিলাম বন্ধ হয়ে যাবে। কিন্তু আজকে ঢুকে যখন দেখলাম সত্যিই বন্ধ হয়ে গেছে তখন ছোট্ট একটা ধাক্কা খেয়েছি। অনেক অনেক স্মৃতি ছিল এই জিওসিটিজকে জড়িয়ে। এই জিওসিটিজেই প্রথম একটা ঠিকানা খুলেছিলাম নিজের। কত কী রেখেছিলাম সেখানে। শুরুতেই লিখেছিলাম “আমার ছোট্ট ভুবনে স্বাগতম”। বন্ধুদের দেখিয়ে কত ছেলেমানুষি ভাব যে নিতাম একটা সময়। আর একটা মেয়ে, যাকে অগুন্তি মেইল করেছি জীবনে তাকে সেই প্রথম যে মেইলটা করেছিলাম তাতে লিখেছিলাম -
My site: www.geocities.com/syeedibn.
Wednesday, July 22, 2009
Tuesday, May 26, 2009
বল বিভ্রাট
Thursday, May 14, 2009
...
বিক্ষিপ্ত এবং অর্থহীন ভাবনায় আমি জীবনের সিকিভাগের কিছু কম ব্যয় করেছি বলে মনে করি। কাজেই এগুলো আমার ব্লগে তাদের উপস্থিতি দাবী করেতেই পারে।
খুব রোদে আমার মাথায় জলীয় অংশগুলো বাষ্প হয়ে যায়। তখন আমার মাথার ভেতর মগজটা নাড়াচাড়া করে।
বাতাসে আমার ঘরের দরজা নড়ছে। এটাকে আমি ভূতের কারবার বলে চালাতে পারি এবং আগামীকাল থেকে ভূত দেখিনি কিন্তু ভূতের ন্যাজ দেখেছি টাইপের গল্প ফেঁদে বসতে পারি।
এখন আমার পড়ার কথা। পড়ছিনা সম্ভবত এই কারণে যে আমি জিনিসগুলো বুঝে উঠতে পারবো এই ব্যাপারে খুব আত্মবিশ্বাসী নই।
বুদবুদ্গুলো অল্পতেই ফেটে যায় সম্ভবত এই কারণে যে সাবানটা খুব সস্তা মানের।
একদিন একজন লেখকের সাক্ষাতকার পড়লাম পত্রিকায়। জীবন নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেছেন জীবন আসলে অর্থহীন, আমরা সেই অর্থহীন জীবনে নানা অর্থ আরোপের চেষ্টা করে যাই নিরন্তর। কথাটা আমার মাথার ভেতর ঢুকে গেল। তারপর সেই ভাবনাটা সহস্রদিকে ছুটে গেল।
আমার ছোটবেলায় আমি ছোটই ছিলাম।
Wednesday, April 29, 2009
আজকের দিনটায় কি হবে বলে দিই
Tuesday, April 21, 2009
ইচ্ছে হলো তাই...
ছেলেমানুষী শখ আমার কখনও যাবে না। কারও ছেলেমানুষী কোন শখের কথা শুনলে আমার খুব ইচ্ছে করে তার শখটা পূরণ করে দিতে। হয়তো এজন্য যে আমার ভেতর বরাবর একটা ছেলেমানুষ বাস করে। ছেলেবেলায় যত শখ ছিল সেগুলো বেশিরভাগই আজো আমি চাইলেই মনে করতে পারি। আর আমার সবচেয়ে ছোট ভাইটি এখন যে বয়সে সেই বয়সেই আমি সব কল্পনার ফানুস উড়াতাম দু’হাত ভরে, তাই ওকে দেখে আমি আমাকে আঁকি। তারওপর আমার স্বপ্নগুলোরই রঙ চড়াই তার ওপর। হয়তো অন্য হাতে সব ফানুস ওড়ে না, আবার কোনটা ওড়ে, আমি তাকিয়ে থাকি, লুকিয়ে দেখি। তারপর আমার মুখে জীবনানন্দের হাসি ফোঁটে।
Thursday, April 16, 2009
কী লাভ ?
Wednesday, April 15, 2009
একদিন আমার ঘরে একটা জোনাকী পোকা ঢুকেছিল
Thursday, April 03, 2008
মনে পড়ে...
বন্ধুরা তোমাদের সবাইকে খুব মনে পড়ছে। আর কিছুতেই মন বসছেনা। বাইরে বৃষ্টি হচ্ছে, মনটা তাতে আরও স্মৃতিকাতর হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে মনটাকে ঘুরিয়ে পড়তে বসার চেষ্টা করবো ভেবেছিলাম, লাভ হয়নি। ‘পুরোনো সেই দিনের কথা’ আর ‘আজি বরিষণ মুখরিত’ গানদুটো শুনছিতো শুনছিই। টি-শার্টটা বের করে আবার পড়লাম সবার কমেন্টগুলো। মনটা আরও খারাপ হল। কেন যে সময় মাঝে মাঝে এতো দ্রুত চলে যায়....
Wednesday, April 02, 2008
এক টুকরো ছবি...
গতকাল ছিল আমাদের ইউনিভার্সিটি লাইফের শেষ দিন। পাঁচ বছর যে কেমন করে কেটে গেল ভাবতে গেলে নিজেই বিস্মিত হচ্ছি মনেমনে। কালকের দিনটা খুব বেশি সুন্দর ছিল। খুব আনন্দের ছিল, ছিল খুব কষ্টেরও। সকালে জমকালো একটা rally বের করেছিলাম আমরা। সামনে ব্যানার আর পেছনে টমটম নিয়ে আমরা নাচতে নাচতে পুরো ইউনিভার্সিটি ঘুরলাম। রাজু ভাস্কর্য থেকে অপরাজেয় বাংলা, সেখান থেকে শহীদ মিনার ঘুরে কার্জন হল হয়ে ডিপার্টমেন্ট। ইউনিভার্সিটির রাস্তায় যখন ঘুরছিলাম রাস্তার পথচারী আর আটকে পড়া গাড়িঘোড়ার ভেতর থেকে মানুষ আমাদের ছেলেমানুষী আনন্দ দেখছিল অবাক হয়ে। আমাদের কারো হাতে ছিল ঝুঞ্ঝুনি, কারো মুখে ছিল বাশিঁ আর কেউ হাতে উচিঁয়ে ছিল ফেস্টুন। আর নাচছিলাম আমরা সবাই প্রাণের ছন্দে। একসাথে মিলে মনের আনন্দগুলো সবার ঝরে ঝরে পরছিল। এখনও ভাবলেই ভালো লাগছে, খুব ইচ্ছে করছে ঠিক সেই সময়টায় ফিরে যেতে। কান পাতলেই শুনতে পাচ্ছি বাশিঁর পোঁ-পোঁ আওয়াজ, কিম্বা ঝুঞ্ঝুনির শব্দ, বন্ধুদের হাসি-কলরব। rallyটা যে এত সুন্দর হবে ভাবিনি আগে। আমাদের গায়ে ছিল সাদাটিশার্ট, মাথায় সাদা কাপড় বেধেছিলাম সবাই। আমরা পঞ্চাশজন তরুণ-তরুণী কিছুক্ষণ পুরো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ হয়ে গিয়েছিলাম।
Wednesday, October 24, 2007
একটু ছেলেমানুষী
প্রথম যেদিন, খুব সকালে যাবি।
আলমের চা খাবি,
একটু দাঁড়াস, আমার দেখা পাবি!
Friday, October 19, 2007
এইটা তোমার ছড়া
পরতে তুমি এত্তো বড় চশমা চোখে?
খামচি দিতে গালটা ছুঁয়ে টিপে দিলে?
হাসতে গিয়েও রাশটা তুমি রাখতে টেনে?
কান্না মুছে পারতে যেতে দুঃখ ভুলে?
তবে আমায় তোমায় খুব দেখি যাচ্ছে মিলে,
শুধু চশমাটাই যা হলোনা পরা কোনকালে!
Thursday, October 18, 2007
ছড়ার আকাল
একটা ছিল দেশ,
যেথায় বুড়া-বাচ্চা-আণ্ডা-বেবী
সবাই ছিল বেশ!
...বাকিটা ছাপার আগে জুজি বামাকে বলে নেয়া দরকার!
Wednesday, September 26, 2007
ইনকা রাজার গুপ্তধন- আবু কায়সার